ইসলামে বা বাংলাদেশের আইনে মুসলিমদের জন্য ‘ত্যাজ্যপুত্র’ বলে কোন কিছু নেই, ‘তোকে ত্যাজ্যপুত্র করলাম’ এ ধরনের ডায়লগের মূল্য কেবল বাংলা সিনেমায় আছে, বাস্তবে কোন সন্তানকে সম্পত্তি থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত করতে চাইলে অভিভাবককে মৃত্যুবরণ করার পূর্বেই হয় তার সব সম্পত্তি বিক্রি করে ফেলতে হবে অথবা অন্য সন্তানদের দান করে যেতে হবে, আর এই দানটা হতে হবে অভিভাবকের জীবিতাবস্থায়। কোন অভিভাবক যদি জীবনকালে তার সব সম্পত্তি এই ভাবে বিক্রি বা দান না করেন তাহলে তার মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি তার ‘ত্যাজ্যপুত্র’ ইসলামী ফরায়েজ অনুযায়ীই পাবে। সেই সাথে আরও জেনে রাখা ভাল, সমস্ত ওয়ারিশের সম্মতি ব্যতীত কোন মুসলিমের উইল/অসিয়ত তার সমস্ত সম্পত্তির কেবল এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কার্যকর।
লেখক:
Kazi Wasimul Haque
Lawyer at Supreme Court of Bangladesh

বাবা তার ৫ ছেলেকে মুখে মুখে ভাগ করে দেয়। এবং যায়গা দেখিয়ে দেয়। ৪ ছেলে বাবার মুখে বর্ণিত যায়গাইয় বাড়ি করে।অতঃপর ৫ম ছেলে বাড়ি করে। বাড়ি করা শেষে ৫ম নং ছেলেকে না জানিয়ে বাবা তার ৪ ছেলেকে সেই বাড়ি সহ লিখে দেন। এতে ৫ম ছেলে লেখা লেখি ভাবে কোনো জমি পায়নি। বাড়ি করা জন্য যত টাকা খরচ হয়েছিল তা ছেলের শ্বশুর বাড়ির লোকেরা বহন করে ছিল। এখন কি সেই জমি কোনো মতে পাওয়া সম্ভব কি না?
উত্তরমুছুনযেহেতু ছেলের কাছে লিখিত কোন ডকুমেন্ট নেই। তাই জমির মূল মালিক বাবা যাকে খুশি দান করে যেতে পারেন। তবে প্রমাণ করতে পারলে, বাড়ির করা খরচের জন্য ক্ষতিপূরণ পাবেন। বিস্তারিত জানার জন্য অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেন। কারণ আইনেরও অনেক ফাঁক থেকে যায়।
মুছুন